খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

কিংবদন্তি পেলের ঐতিহাসিক ১৯৫৮ বিশ্বকাপ জয়ের জার্সি নিলামে: আনুমানিক মূল্য ৭০ কোটি টাকা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কিংবদন্তি পেলের ঐতিহাসিক ১৯৫৮ বিশ্বকাপ জয়ের জার্সি নিলামে: আনুমানিক মূল্য ৭০ কোটি টাকা

পেলে

ফুটবল কিংবদন্তি পেলের ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপ জয়ী ঐতিহাসিক জার্সিটি এবার নিলামে উঠতে চলেছে। আন্তর্জাতিক নিলাম সংস্থা সদবিস ঘোষণা করেছে যে, চলতি বছরের বিশ্বকাপ ফুটবল চলাকালীন এই নিলাম অনুষ্ঠিত হবে এবং পেলের জার্সিটিই হবে এর প্রধান আকর্ষণ।

১৯৫৮ সালের সেই ফাইনালে মাত্র ১৭ বছর বয়সী পেলে স্বাগতিক সুইডেনের বিপক্ষে ব্রাজিলের ৫টি গোলের মধ্যে দুটি করেছিলেন। এটি ছিল রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা। ব্রাজিল পেলের হাত ধরে মোট তিনটি বিশ্বকাপ জিতেছিল। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে ৮২ বছর বয়সে কোলন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে এই মহানায়ক প্রয়াত হন।

পেলের সেই ১০ নম্বর জার্সিটির আনুমানিক বিক্রয়মূল্য ধরা হয়েছে ৬০ লাখ মার্কিন ডলারেরও বেশি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে। আগামী ২৯ জুন থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত এই নিলাম চলবে।

এর আগে ক্রীড়াসামগ্রী বিক্রির ইতিহাসে রেকর্ড গড়েছিল দিয়েগো ম্যারাডোনার বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ জার্সিটি, যা ২০২২ সালে ৯৩ লাখ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। তবে কয়েক মাস পরেই বাস্কেটবল কিংবদন্তি মাইকেল জর্ডানের ‘লাস্ট ডান্স’ শিকাগো বুলসের জার্সিটি ১০১ লাখ ডলারে বিক্রি হয়ে ম্যারাডোনার রেকর্ড ভেঙে দেয়।

সদবিস জানিয়েছে, ১৯৫৮ সালের ফাইনাল শেষে পেলে তাঁর এই জার্সিটি সতীর্থ ও বন্ধু দিদাকে উপহার দিয়েছিলেন। দিদার পরিবার কয়েক দশক ধরে এটি সযত্নে রেখেছিল। পরবর্তীতে জার্সিটি একটি জাদুঘরে স্থান পায়। এর আগেও ২০০৪ সালে জার্সিটি একবার নিলামে তোলা হয়েছিল।

সদবিসের এই বিশেষ নিলামে পেলের জার্সি ছাড়াও আরও কিছু ঐতিহাসিক স্মারক থাকছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ১৯৮৬ সালের সেই বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ ম্যাচে ম্যারাডোনার পরা একটি আর্মব্যান্ড এবং আর্জেন্টিনার মহাতারকা লিওনেল মেসির ব্যবহৃত কিছু ক্রীড়াসামগ্রী।

নিলাম শুরু হওয়ার আগে, আগামী ১ জুলাই থেকে নিউইয়র্কের ‘সদবিস ব্রয়ার’ ভবনে সাধারণ দর্শকদের জন্য এসব ঐতিহাসিক স্মারক প্রদর্শনী ও দেখার সুযোগ করে দেওয়া হবে।

advertisement
advertisement

বেগুনবাড়ি স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভিতরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাছের সন্ধান মিলেছে.........

বিশু সাহা
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০২ পূর্বাহ্ণ
বেগুনবাড়ি স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভিতরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাছের সন্ধান মিলেছে.........

বেগুনবাড়ি স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভিতরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাছের সন্ধান মিলেছে.........

ময়মনসিংহ সদর বেগুন বাড়ির স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভেতরে বস্তাবন্দী অবস্থায় যে লাশটি পাওয়া গিয়েছিল সে একজন পেশায় স্বর্ণের কারিগর এবং ময়মনসিংহ আঠার বাড়ি বিল্ডিং একটি জুয়েলারি দোকানে কারিগরি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নাম নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধর (৫০) পিতা মৃত্যু: রমেন্দ্র চন্দ্র সূত্রধর, পোস্টমর্টেমের সময় নিহত নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধরের মাথায় ও বুকে কূপের আঘাত ছিল বলে জানায় পুলিশ। অন্য একটি  সূত্র থেকে জানা যায়, জুয়েলারি কারিগরি পেশার পাশাপাশি পার্টনার হিসেবে অটো রিক্সা বাইকের ব্যবসাও করতেন তিনি। স্থায়ী ঠিকানা ত্রিশাল হলেও সে স্টেডিয়ামের পিছনে বাড়ি করে পরিবারের স্ত্রী ও এক ছেলে এক মেয়ে নিয়ে  বসবাস করতেন বলে জানা যায়।