খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ড্যাফোডিল বন্ধুসভার আয়োজনে হুমায়ূন আহমেদের ‘মেঘ বলেছে যাব যাব’ উপন্যাসের ভার্চ্যুয়াল পাঠালোচনা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৪৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ড্যাফোডিল বন্ধুসভার আয়োজনে হুমায়ূন আহমেদের ‘মেঘ বলেছে যাব যাব’ উপন্যাসের ভার্চ্যুয়াল পাঠালোচনা

ড্যাফোডিল বন্ধুসভা সম্প্রতি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের কালজয়ী উপন্যাস ‘মেঘ বলেছে যাব যাব’ নিয়ে একটি ভার্চ্যুয়াল পাঠচক্রের আয়োজন করে। গত ২১ মে রাত ১০টায় গুগল মিট অ্যাপের মাধ্যমে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পাঠচক্রের শুরুতে ড্যাফোডিল বন্ধুসভার পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক জেবা আনিকা উপন্যাসটির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ পাঠ করে শোনান। এরপর তিনি বইটির মূল কাহিনি, বিভিন্ন চরিত্র, লেখকের উপস্থাপন ভঙ্গি এবং পাঠকের অনুভূতির নানা দিক নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন। আলোচনায় বিশেষভাবে উঠে আসে উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হাসান। নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের এক বেকার যুবক হলেও, তাকে পুরোপুরি বেকার বলা চলে না, কারণ সপ্তাহে একদিন তিনি হিশামুদ্দিন সাহেব নামের এক ধনী ব্যক্তির জীবনের গল্প লিখে থাকেন।

হাসানের পারিবারিক জীবন, অভাব-অনটন, রীনা ভাবির আত্মত্যাগ, তিতলীর প্রতি তার গভীর ভালোবাসা এবং মধ্যবিত্ত জীবনের টানাপোড়েন—সবকিছু মিলে উপন্যাসটি পাঠকের হৃদয়ে এক গভীর ছাপ ফেলে। বন্ধু মুহাম্মদ তোহা তার আলোচনায় বলেন, “এই উপন্যাসে এমন এক জীবনের গল্প বলা হয়েছে যেখানে স্বপ্ন আছে, কিন্তু সামর্থ্য নেই; ভালোবাসা আছে, কিন্তু প্রকাশ নেই। অনেক অনুভূতি মানুষ নিজের ভেতরে লুকিয়ে রাখে, বলতে পারে না, তবু সেই অনুভূতিগুলোই তার জীবনের সবচেয়ে সত্য অংশ হয়ে থাকে। হুমায়ূন আহমেদ খুব সাধারণ কিছু মুহূর্তকেও এমনভাবে তুলে ধরেন যে পাঠক নিজের জীবনের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পান গল্পের ভেতর। হাসানের চরিত্রে একজন সংগ্রামী তরুণের স্বপ্ন আর বাস্তবতার দ্বন্দ্ব খুব গভীরভাবে ফুটে উঠেছে।”

আলোচনায় অংশ নিয়ে বন্ধু সালমান ফারসী হুমায়ূন আহমেদের লেখার স্বকীয়তা ও বিশেষত্ব তুলে ধরেন। তিনি মন্তব্য করেন, “হুমায়ূন আহমেদের লেখার সবচেয়ে সুন্দর দিক হলো, তাঁর গল্পে আলাদা করে নাটকীয়তা খুঁজতে হয় না; সাধারণ জীবনের ভেতরেই তিনি অসাধারণ অনুভূতির জন্ম দেন। পাঠক গল্প পড়তে পড়তেই কখন যেন চরিত্রগুলোর খুব কাছের মানুষ হয়ে ওঠে।” তিনি বন্ধুদের নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং উল্লেখ করেন যে, বই কেবল জ্ঞান বৃদ্ধি করে না, মানুষের চিন্তা, অনুভূতি ও কল্পনার জগৎকেও সমৃদ্ধ করে। সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে নিজেদের আরও মানবিক ও সচেতন করে তোলার গুরুত্বও তিনি তুলে ধরেন।

ড্যাফোডিল বন্ধুসভার সভাপতি মুসাভভির সাকির পাঠচক্রের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “একটি বই নিয়ে একসঙ্গে আলোচনা করার সৌন্দর্যই আলাদা। একজন পাঠক বই থেকে যা অনুভব করে, অন্য একজনের অনুভূতির সঙ্গে তা মিলিয়ে গেলে নতুনভাবে বইটিকে আবিষ্কার করা যায়।” তিনি আরও যোগ করেন যে, পাঠচক্র শুধু বইয়ের আলোচনা নয়, এটি ভাবনার আদান-প্রদান, সম্পর্কের বন্ধন দৃঢ় করা এবং সাহিত্যকে নিজেদের জীবনের আরও কাছে নিয়ে আসার একটি চমৎকার মাধ্যম।

এই ভার্চ্যুয়াল পাঠচক্রে আরও যুক্ত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক অনীক ভূষণ সাহা, সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মাহফুজ, বন্ধু তানজিল মাহমুদ, রাফিয়া ইসলাম, মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, আবিদুর রহমান, মোহাম্মদ ফাইকুজ্জামান, সরকার পিয়াস, সপ্তদীপ বর্মণ, তানহা তাসনিম, কাফিল, নাফিস মাহামুদসহ আরও অনেকে।

advertisement
advertisement

বেগুনবাড়ি স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভিতরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাছের সন্ধান মিলেছে.........

বিশু সাহা
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০২ পূর্বাহ্ণ
বেগুনবাড়ি স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভিতরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাছের সন্ধান মিলেছে.........

বেগুনবাড়ি স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভিতরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাছের সন্ধান মিলেছে.........

ময়মনসিংহ সদর বেগুন বাড়ির স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভেতরে বস্তাবন্দী অবস্থায় যে লাশটি পাওয়া গিয়েছিল সে একজন পেশায় স্বর্ণের কারিগর এবং ময়মনসিংহ আঠার বাড়ি বিল্ডিং একটি জুয়েলারি দোকানে কারিগরি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নাম নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধর (৫০) পিতা মৃত্যু: রমেন্দ্র চন্দ্র সূত্রধর, পোস্টমর্টেমের সময় নিহত নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধরের মাথায় ও বুকে কূপের আঘাত ছিল বলে জানায় পুলিশ। অন্য একটি  সূত্র থেকে জানা যায়, জুয়েলারি কারিগরি পেশার পাশাপাশি পার্টনার হিসেবে অটো রিক্সা বাইকের ব্যবসাও করতেন তিনি। স্থায়ী ঠিকানা ত্রিশাল হলেও সে স্টেডিয়ামের পিছনে বাড়ি করে পরিবারের স্ত্রী ও এক ছেলে এক মেয়ে নিয়ে  বসবাস করতেন বলে জানা যায়।