খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সেদিনই বুঝেছিলাম, মেয়েদের জন্য পৃথিবী নিরাপদ নয়...

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সেদিনই বুঝেছিলাম, মেয়েদের জন্য পৃথিবী নিরাপদ নয়...

সেদিনই বুঝেছিলাম, মেয়েদের জন্য পৃথিবী নিরাপদ নয়...

‘রেখা মানে এক রহস্য, এক ব্যথা, আর এক নারী—যিনি নিজের ছাই থেকে নিজেই জেগে উঠেছেন।’ ভারতীয় লেখক ও সাংবাদিক ইয়াসির ওসমান তাঁর জীবনীগ্রন্থ ‘রেখা: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’তে রেখাকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন। রূপ, রটনা, রহস্য আর প্রতিরোধে গড়া এই বলিউড তারকার জীবন নিয়ে লিখেছিলেন তিনি। সেই বইই তুলে ধরেছে এক অচেনা রেখাকে—যিনি আলোতেও ছিলেন, অন্ধকারেও থেকেছেন দীপ্ত। ইয়াসির ওসমানসহ অনেক চলচ্চিত্র সমালোচকের মতে, বলিউডে এমন অনেক তারকা আছেন, যাঁদের জীবন সিনেমার চেয়েও নাটকীয়। কিন্তু রেখা যেন সবকিছুর ঊর্ধ্বে।

গতকাল রাত থেকে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে নতুন করে ফিরে এসেছেন রেখা। যেন শুভেচ্ছার বৃষ্টি ঝরেছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে। সত্তর পেরিয়েও রেখা যেন ফিরে এলেন নেট–দুনিয়ায়।
অবশ্য ‘ফিরে এলেন’ বললে ভুল হবে। রেখা ছিলেন না কবে? রেখা তো বছরের পর বছর আছেনই—আছেন গল্পগুজবে, আছেন আলোঝলমল কোনো তারকাবহুল সন্ধ্যায় উজ্জ্বল তারকা হয়ে। রেখা নিজেই যেন সব সময় নতুন। তাঁর নামের পাশে ‘চিরসবুজ’ লিখলে একবিন্দুও বাড়াবাড়ি হয় না। যিনি চিত্তহরণ করেন কিশোর, তরুণ, যুবক, প্রৌঢ়, এমনকি বৃদ্ধেরও।‘রেখা মানে এক রহস্য, এক ব্যথা, আর এক নারী—যিনি নিজের ছাই থেকে নিজেই জেগে উঠেছেন।’ ভারতীয় লেখক ও সাংবাদিক ইয়াসির ওসমান তাঁর জীবনীগ্রন্থ ‘রেখা: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’তে রেখাকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন। রূপ, রটনা, রহস্য আর প্রতিরোধে গড়া এই বলিউড তারকার জীবন নিয়ে লিখেছিলেন তিনি। সেই বইই তুলে ধরেছে এক অচেনা রেখাকে—যিনি আলোতেও ছিলেন, অন্ধকারেও থেকেছেন দীপ্ত। ইয়াসির ওসমানসহ অনেক চলচ্চিত্র সমালোচকের মতে, বলিউডে এমন অনেক তারকা আছেন, যাঁদের জীবন সিনেমার চেয়েও নাটকীয়। কিন্তু রেখা যেন সবকিছুর ঊর্ধ্বে।

গতকাল রাত থেকে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে নতুন করে ফিরে এসেছেন রেখা। যেন শুভেচ্ছার বৃষ্টি ঝরেছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে। সত্তর পেরিয়েও রেখা যেন ফিরে এলেন নেট–দুনিয়ায়।
অবশ্য ‘ফিরে এলেন’ বললে ভুল হবে। রেখা ছিলেন না কবে? রেখা তো বছরের পর বছর আছেনই—আছেন গল্পগুজবে, আছেন আলোঝলমল কোনো তারকাবহুল সন্ধ্যায় উজ্জ্বল তারকা হয়ে। রেখা নিজেই যেন সব সময় নতুন। তাঁর নামের পাশে ‘চিরসবুজ’ লিখলে একবিন্দুও বাড়াবাড়ি হয় না। যিনি চিত্তহরণ করেন কিশোর, তরুণ, যুবক, প্রৌঢ়, এমনকি বৃদ্ধেরও।‘রেখা মানে এক রহস্য, এক ব্যথা, আর এক নারী—যিনি নিজের ছাই থেকে নিজেই জেগে উঠেছেন।’ ভারতীয় লেখক ও সাংবাদিক ইয়াসির ওসমান তাঁর জীবনীগ্রন্থ ‘রেখা: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’তে রেখাকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন। রূপ, রটনা, রহস্য আর প্রতিরোধে গড়া এই বলিউড তারকার জীবন নিয়ে লিখেছিলেন তিনি। সেই বইই তুলে ধরেছে এক অচেনা রেখাকে—যিনি আলোতেও ছিলেন, অন্ধকারেও থেকেছেন দীপ্ত। ইয়াসির ওসমানসহ অনেক চলচ্চিত্র সমালোচকের মতে, বলিউডে এমন অনেক তারকা আছেন, যাঁদের জীবন সিনেমার চেয়েও নাটকীয়। কিন্তু রেখা যেন সবকিছুর ঊর্ধ্বে।

গতকাল রাত থেকে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে নতুন করে ফিরে এসেছেন রেখা। যেন শুভেচ্ছার বৃষ্টি ঝরেছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে। সত্তর পেরিয়েও রেখা যেন ফিরে এলেন নেট–দুনিয়ায়।
অবশ্য ‘ফিরে এলেন’ বললে ভুল হবে। রেখা ছিলেন না কবে? রেখা তো বছরের পর বছর আছেনই—আছেন গল্পগুজবে, আছেন আলোঝলমল কোনো তারকাবহুল সন্ধ্যায় উজ্জ্বল তারকা হয়ে। রেখা নিজেই যেন সব সময় নতুন। তাঁর নামের পাশে ‘চিরসবুজ’ লিখলে একবিন্দুও বাড়াবাড়ি হয় না। যিনি চিত্তহরণ করেন কিশোর, তরুণ, যুবক, প্রৌঢ়, এমনকি বৃদ্ধেরও।
advertisement
advertisement

বেগুনবাড়ি স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভিতরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাছের সন্ধান মিলেছে.........

বিশু সাহা
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০২ পূর্বাহ্ণ
বেগুনবাড়ি স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভিতরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাছের সন্ধান মিলেছে.........

বেগুনবাড়ি স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভিতরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাছের সন্ধান মিলেছে.........

ময়মনসিংহ সদর বেগুন বাড়ির স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভেতরে বস্তাবন্দী অবস্থায় যে লাশটি পাওয়া গিয়েছিল সে একজন পেশায় স্বর্ণের কারিগর এবং ময়মনসিংহ আঠার বাড়ি বিল্ডিং একটি জুয়েলারি দোকানে কারিগরি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নাম নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধর (৫০) পিতা মৃত্যু: রমেন্দ্র চন্দ্র সূত্রধর, পোস্টমর্টেমের সময় নিহত নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধরের মাথায় ও বুকে কূপের আঘাত ছিল বলে জানায় পুলিশ। অন্য একটি  সূত্র থেকে জানা যায়, জুয়েলারি কারিগরি পেশার পাশাপাশি পার্টনার হিসেবে অটো রিক্সা বাইকের ব্যবসাও করতেন তিনি। স্থায়ী ঠিকানা ত্রিশাল হলেও সে স্টেডিয়ামের পিছনে বাড়ি করে পরিবারের স্ত্রী ও এক ছেলে এক মেয়ে নিয়ে  বসবাস করতেন বলে জানা যায়।