খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

আলোচিত 'মায়া পাখি' নাটকে অপূর্ব ও নীহার মুগ্ধতা: করপোরেট জীবনের জটিল সমীকরণ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আলোচিত 'মায়া পাখি' নাটকে অপূর্ব ও নীহার মুগ্ধতা: করপোরেট জীবনের জটিল সমীকরণ

জিয়াউল ফারুক অপূর্ব ও নাজনীন নীহা

ঈদের বিশেষ আয়োজনে মুক্তি পাওয়া 'মায়া পাখি' নাটকটি বর্তমানে দর্শক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে কর্মস্থল, এমনকি পাড়া-মহল্লাতেও এই নাটকটি নিয়ে আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সিএমভির ব্যানারে নির্মিত এই আলোচিত নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন জাকারিয়া সৌখিন। এতে 'মায়া' চরিত্রে নাজনীন নীহা এবং তার স্বামী 'সাদাত' চরিত্রে জিয়াউল ফারুক অপূর্ব অভিনয় করেছেন।

নির্মাতা জাকারিয়া সৌখিন তার এই সৃষ্টিতে কর্পোরেট জগতের উচ্চাকাঙ্ক্ষা, দাম্পত্য সম্পর্কের জটিলতা এবং পেশাদার জীবনের সূক্ষ্ম সমীকরণ অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। নাটকের মূল গল্প আবর্তিত হয়েছে 'মায়া' চরিত্রটিকে ঘিরে, যার সম্পর্কে নির্মাতার মন্তব্য হলো, এই চরিত্রে হুমায়ূন আহমেদের গল্পের নায়িকাদের এক বিশেষ আবহ বিদ্যমান। গল্পে দেখা যায়, একসময় সাদাত মায়ার প্রেমে পড়ে এবং তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। শুরুতে তাদের সংসার সুখেই কাটছিল, কিন্তু মায়ার মধ্যে কর্মজীবনে উন্নতির তীব্র প্রতিযোগিতা শুরু হলে তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরতে শুরু করে এবং দুজনের মধ্যে দূরত্ব ক্রমেই বাড়তে থাকে।

এই সম্পর্কের পরিণতি কী হয়, তা জানতে দর্শকদের নাটকটি সম্পূর্ণ দেখতে হবে। ইউটিউবে নাটকটি দেখতে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। মুক্তির মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে এটি ৮৩ লক্ষাধিকবার দেখা হয়েছে এবং ১৪ হাজারেরও বেশি মন্তব্য জমা পড়েছে।

দর্শকরা নাটকটি দেখে তাদের মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন মন্তব্যের মাধ্যমে। রাকিব রবিউল নামে একজন দর্শক লিখেছেন, ‘“মায়াপাখি” মাত্র দেখা শেষ করলাম। সত্যি বলতে, এখনো গভীর ঘোরে ডুবে আছি। কিছুতেই ঘোর থেকে বের হতে পারছি না। শেষ কবে নাটক দেখে এভাবে একটা ইমোশনাল গোলকধাঁধায় পড়ে গিয়েছিলাম, তা মনে নেই।’ হুমায়রা নামের আরেক দর্শক মন্তব্য করেছেন, ‘নাটকের গল্প এমন হওয়া উচিত। নাটক শেষ হবার পরও কিছু সময় সেটার রেশ থেকে যাবে হৃদয়ে। “মায়াপাখি” নাটকটি ঠিক তেমন।’ এছাড়া, খাদিজা নামের একজন দর্শক তার অনুভূতি ব্যক্ত করে লিখেছেন, ‘নিজের অজান্তেই চোখে পানি আসলো। অপূর্বের অভিনয় অপূর্বই। শেষের সিনে মায়াপাখির অসহায় মুখটা দেখে অজান্তেই পানি আসলো চোখে।’

advertisement
advertisement

বেগুনবাড়ি স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভিতরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাছের সন্ধান মিলেছে.........

বিশু সাহা
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৫ পূর্বাহ্ণ
বেগুনবাড়ি স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভিতরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাছের সন্ধান মিলেছে.........

বেগুনবাড়ি স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভিতরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাছের সন্ধান মিলেছে.........

ময়মনসিংহ সদর বেগুন বাড়ির স্লুইসগেট এলাকা থেকে ড্রামের ভেতরে বস্তাবন্দী অবস্থায় যে লাশটি পাওয়া গিয়েছিল সে একজন পেশায় স্বর্ণের কারিগর এবং ময়মনসিংহ আঠার বাড়ি বিল্ডিং একটি জুয়েলারি দোকানে কারিগরি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নাম নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধর (৫০) পিতা মৃত্যু: রমেন্দ্র চন্দ্র সূত্রধর, পোস্টমর্টেমের সময় নিহত নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধরের মাথায় ও বুকে কূপের আঘাত ছিল বলে জানায় পুলিশ। অন্য একটি  সূত্র থেকে জানা যায়, জুয়েলারি কারিগরি পেশার পাশাপাশি পার্টনার হিসেবে অটো রিক্সা বাইকের ব্যবসাও করতেন তিনি। স্থায়ী ঠিকানা ত্রিশাল হলেও সে স্টেডিয়ামের পিছনে বাড়ি করে পরিবারের স্ত্রী ও এক ছেলে এক মেয়ে নিয়ে  বসবাস করতেন বলে জানা যায়।